বিগব্যাশ বেসরকারীকরণ বিতর্কে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া প্রধানের পদত্যাগ
- আপডেট সময়: ০৬:০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৪ টাইম ভিউ
বিবিএল (বিগ ব্যাশ লিগ) বেসরকারীকরণের উদ্যোগের জেরে নিজ রাজ্য নিউ সাউথ ওয়েলসের সমর্থন হারিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মাইক বেয়ার্ড। এক প্রতিবেদনে ইএসপিএন ক্রিকইনফো এ তথ্য জানিয়েছে।
বেয়ার্ড বোর্ডকে জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে সিএর বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) তিনি আর পুনর্নির্বাচনে লড়বেন না। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি এই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এজিএম পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডেভিড বুন। এই সময়ের মধ্যে স্থায়ী উত্তরসূরি খোঁজার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
বর্তমানে সিএ বোর্ডে নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রতিনিধি হিসেবে আছেন বেয়ার্ড। তবে রাজ্যটি তাকে জানিয়েছে, তারা আর তার পেছনে সমর্থন রাখবে না এবং স্বাধীন পরিচালক পদগুলোর কোনোটির জন্যও তাকে সমর্থন করবে না।
ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাকি সব রাজ্যই বেয়ার্ডকে স্বাধীন পরিচালক পদে যাওয়ার পক্ষে সমর্থন দিয়েছিল, যার মাধ্যমে তিনি চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকতে পারতেন। কিন্তু সবার সর্বসম্মত সমর্থন ছাড়া তিনি আর দায়িত্বে থাকতে চাননি। তাছাড়া, বেয়ার্ড নিজেও আগামী বছরের মধ্যেই পদত্যাগ করার কথা ভাবছিলেন।
এক বিবৃতিতে বেয়ার্ড বলেন, অনেক চিন্তাভাবনার পর আমি সিএ চেয়ারম্যান ও পরিচালক পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আনন্দিত যে, ডেভিড বুন আমাদের চেয়ারম্যান বাছাই প্রক্রিয়া চলাকালীন অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে সম্মত হয়েছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহে ডেভিডের কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করব।’
ক্রিকইনফো জানায়, বেয়ার্ডের এই পদত্যাগে সিএ বোর্ডের চলতি মাসের শুরুতে অনুমোদিত বিবিএল বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব পড়বে না। এই প্রক্রিয়ার আওতায় প্রথম ক্লাব হিসেবে মেলবোর্ন রেনেগেডস বিক্রি হওয়ার কথা রয়েছে।
বেয়ার্ড এবং সিএর প্রধান নির্বাহী (সিইও) টড গ্রিনবার্গ বিবিএলে বেসরকারি পুঁজি আনার প্রক্রিয়ার নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। এই ‘স্ব-নির্ধারণী’ মডেলে প্রতিটি রাজ্য নিজেদের পথ নিজেরাই বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
তবে এই প্রক্রিয়া নিয়ে ক্রিকেটাঙ্গনে এখনও বড় ধরনের মতবিরোধ রয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস দীর্ঘকাল ধরে এর সবচেয়ে কঠোর সমালোচক। তাদের যুক্তি, ক্রিকেটের যদি অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজন হয়, তবে বেসরকারি বিনিয়োগের পথে না হেঁটে অর্থ সংগ্রহের অন্য উপায়ও রয়েছে।
সূত্র: ক্রিকইনফো।









